পোস্টগুলি

বন্ধুত্ব লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পাঁচশো মিলিলিটার বেলুনে জীবন!

বছর তিনেক আগে খুব কাছের এক বন্ধুর উপর রাগ করেছিলাম, খুবই সামান্য বিষয়ে। প্রতিদিনই দুজনের দেখা হতো , কিন্তু ! কি জানি কি মনে করে আমরা কেওই কারো সাথে কথা বলতাম না ।   একদিন বন্ধু মুচকি হেসে বললো - ' কিরে ! কেমন আছিস ? ' আমি সেদিন অহেতুক একটু পার্ট নিয়ে নিয়েছিলাম , উত্তর দেইনি আর ।  ভেবেছিলাম দুএকদিন পর ঠিক করে নেবো l   বন্ধু আমার দুদিন পরই বাইক এক্সিডেন্টে মারা গেলো ! সুযোগ দিলোনা আমাকে। আমার আর ঠিক করা হলো না বন্ধুত্বটা। বিষয়টা আজও আমায় গভীর ভাবে নাড়া দেয় ! নিজেই নিজেকে ক্ষমা করতে পারিনা l চোখ বন্ধ করলেই মনে হয় , বন্ধু আমার মুচকি হেসে বলছে - ' সেদিন একটু কথা বললে তোর কি খুব ক্ষতি হতো ? মানুষের জীবন আর কচুপাতার পানির মধ্যে বিশেষ কোনো তফাৎ নেই ।   ক্ষণস্হায়ী জীবনে মান অভিমানগুলোও পুষে রাখাটা বোকামী। হঠাৎ করে কখন যে কে কাকে বিবেকের কাছে অপরাধী করে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করবে বলা মুশকিল। যতোক্ষণ পর্যন্ত সুযোগ আছে ততোক্ষণ পর্যন্ত ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেয়া উচিত l নিজেকে বাহাদুর বা সুপেরিয়র ভাবার কোনো কারণ আদৌ নেই, মানব ফুসফুস আর বেলুনের মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক...

রুপার রাত ১২ টা

রাত ১২ টা, স্তব্ধ হয়ে কয়েক ঘণ্টা যাবত ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রুপা বার বার একটা বাক্যই পড়ছে। হাতের বা পাশে পরোটা আর মাংস (রুপার প্রিয় খাবার) আর ডানপাশের কম্পিউটার স্ক্রিনে পড়ে রয়েছে জমিয়ে রাখা এসাইনমেন্ট। এদিকে রুপার মা এসে কয়েকবার খাবার কথা বললেও তার কিছুতে হুস নেই। ভেবেছিল আয়েশ করে খাবারটা খেয়েই জমে থাকা সকল কাজ শেষ করবে! কিন্তু দুনিয়া তো দুনিয়ার নিয়মে চলে, নিজের নিয়মে নয়।  আমাদের প্রত্যেকের পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ থাকে যাদের এক কথায় দুনিয়ার সবকিছু বিস্বাদ লাগা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা তাদেরই যাদের ইনভেস্টমেন্ট বারো জায়গাতে হয়না।